সেমিনার থেকে শুরু, শেষ কালে জলের গান, মাঝখানে উদীচী আর ছাত্রমৈত্রীর অনুষ্ঠান

৬ ডিসেম্বর, ২০১৩। দিনটি ছিল স্বরণীয়। সকালে ক্যম্পাসে সফল একটা সেমিনার করে রওনা দিলাম মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘরে। সেখানে বন্ধুসভার বন্ধুদের সাথে দেখা করে ভালো একটা সময় কাটালাম।
তারপর সহিংসতার প্রতিবাদে উদীচীসহ বিভিন্ন সংগঠনের মানব বন্ধন অনুষ্ঠানে যোগ দিলাম প্রেসক্লাবের সামনে। Continue reading “সেমিনার থেকে শুরু, শেষ কালে জলের গান, মাঝখানে উদীচী আর ছাত্রমৈত্রীর অনুষ্ঠান”

জীবনের লক্ষ নির্ধারন এবং অর্জন

আজ প্রথম আলো জবস এর কার্যালয়ে বন্ধুসভার বন্ধুদের নিয়ে আয়োজন করা হল ক্যারিয়ার ক্লিনিকের। জাভেদ পারভেজ ভাই এর উপস্থাপনা খুবই ভালো লেগেছে। দেড় ঘন্টার বক্তব্যে জীবনের লক্ষ নির্ধারন এবং লক্ষ অর্জনের বিভিন্ন দিকে নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। সম্পূর্ন বক্তব্যের মূল বিষয়গুলো নিম্নরূপ:
১. আপনাকে দিয়ে কি হবে বা আপনি কি করতে পারবেন? এই প্রশ্নের সবচেয়ে ভালো উত্তর আপনিই জানেন।
২. প্রত্যেকটি বিষয় বা কাজ দুইবার তৈরী হয়। একবার মাথায় আর একবার হতে। অর্থাৎ একবার চিন্তায় আর একবার বাস্তবায়নে। Continue reading “জীবনের লক্ষ নির্ধারন এবং অর্জন”

বিশ্ববিদ্যালয় দিবস ও আমাদের করণীয়

শিক্ষার বানিজ্যিকিকরণ এর সাথে সাথে যে সাংস্কৃতিক বিভিন্ন আয়োজনও বানিজ্যিক হয়েগেছে তা আজকেই উপলব্ধি করলাম। বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকে ঢুকতেই চোখে পড়বে বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন রাজনৈতিক নেতার ছাবি সম্বলিত ব্যানার। ব্যানারের নিচে আংশিক ঢাকা পড়ে আছে বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম ও অনুষ্ঠানের ব্যনার।
উপাচার্য ভবনের দুই পিলারে বড় দুটি জুসের বতল সম্বলিত লম্বা ব্যনার। নতুন ভবনেও একই অবস্থা। সমস্ত ক্যাম্পাসে আলোক সজ্জা করা হয়েছে। খুবই ভালো ও সুন্দর দেখাবে কিন্তু দু:খজনক ব্যপার হচ্ছে বিকাল ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল একাডেমিক ও দাপ্তরিক কাজ শেষ হয় এবং গড়িও ছেড়ে দেয় তাই রাতে আলোক সজ্জা উপভোগ করার সৌভাগ্য শিক্ষার্থীদের নেই। Continue reading “বিশ্ববিদ্যালয় দিবস ও আমাদের করণীয়”